দুই সন্তানের ব্যয়বহুল চিকিৎসায় দিশেহারা বাবা বিরল রোগে আক্রান্ত দুই শিশুর প্রাণ বাঁচাতে সবার সহায়তার আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক:মোঃআনজার শাহ

দুই সন্তানই একই বিরল ও প্রাণঘাতী রোগে আক্রান্ত— এমন এক পিতার অসহায়তার গল্প যেন চোখে আঘাত করে।কুমিল্লা বরুড়া হাটপুকুরিয়া গ্রামের ফারুক আহমেদ নামের ওই দিনমজুর পিতা এখন ঋণের জালে জড়িয়ে জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন সন্তানদের বাঁচাতে।

ফারুক আহমেদের বড় ছেলে ওবায়েদ এবং মাত্র তিন মাস বয়সী ছোট ছেলে আয়ন উভয়েই হার্শস্প্রুং রোগে (Hirschsprung’s Disease) আক্রান্ত। এই রোগে শিশুর বৃহদান্ত্রের একটি অংশ কাজ করা বন্ধ করে দেয়, ফলে শরীর থেকে বর্জ্য নির্গমন হয় না। সময়মতো অপারেশন না হলে শিশুদের জীবন বিপন্ন হয়ে পড়ে।

প্রথম সন্তান ওবায়েদের চিকিৎসার খরচ জোগাতে গিয়ে ফারুক আহমেদ ধার দেনায় জর্জরিত হয়ে পড়েন। এখনো তার মূল অপারেশন করানো সম্ভব হয়নি। সেই বোঝা শেষ হওয়ার আগেই ছোট ছেলে আয়নও একই রোগে আক্রান্ত হয়। মাত্র তিন মাস বয়সেই আয়নকে টানা ১০ দিনের মধ্যে চারটি জরুরি অস্ত্রোপচার করতে হয়েছে।

চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, শিশুটির আরও জটিল সার্জারি ও দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা প্রয়োজন। কিন্তু ঋণগ্রস্ত এই পিতার পক্ষে দুই সন্তানের ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া আর সম্ভব নয়।

ফারুক আহমেদ বলেন, “আমি একজন অসহায় পিতা। একদিকে ওবায়েদ, অন্যদিকে আয়ন দুজনকেই বাঁচাতে চাই, কিন্তু কিছুই করার সামর্থ্য নেই। সমাজের দয়ালু মানুষদের সাহায্য ছাড়া আর কোনো পথ দেখছি না।”

চিকিৎসকদের হিসাব অনুযায়ী, দুই সন্তানের চিকিৎসা ও পরবর্তী ফলো আপের জন্য আনুমানিক দুই লাখ টাকার প্রয়োজন।

সহৃদয় মানুষদের প্রতি অনুরোধ যে যতটুকু পারেন, এই দুটো ফুলের প্রাণ বাঁচাতে এগিয়ে আসুন।

সহায়তার ঠিকানা:
📱 বিকাশ (ব্যক্তিগত): 01709-611344
📱 নগদ (ব্যক্তিগত): 01709-611344
📞 যোগাযোগ: ফারুক আহমেদ — 01864-016755

আর্থিক সহায়তা না পারলেও অনুরোধ রইল, অন্তত এই মানবিক আবেদনটি বেশি করে শেয়ার করুন, যেন দেশ বিদেশের সহৃদয় মানুষদের কাছে ফারুক আহমেদের আহ্বান পৌঁছে যায়।

নিউজটি আপনার স্যোসাল নেটওয়ার্কে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *