কিন্তু এরপরও মোটরযান পরিদর্শক মেহেদী হাসানের ছত্রছায়ায় কমেনি দালালের দৌরাত্ম্য। এতে প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছেন সেবাপ্রার্থীরা।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১৫ জানুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশন মাদারীপুরের সমন্বিত জেলা কার্যালয় বিআরটিএ শরীয়তপুর অফিসে গ্রাহক হয়রানির অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় দুদকের কাছে গোসাইরহাটের কাওসার হাওলাদার নামে এক গ্রাহক অভিযোগ করে ওবায়দুল নামে এক ব্যক্তি বিআরটিএ অফিসের স্টাফ পরিচয় দিয়ে তার থেকে ৭ হাজার টাকা নিয়েছে। এরপর দুদক ওই দালালকে আটক করে। এ সময় ওই দালাল জানায় বিআরটিএ শরীয়তপুরের মোটরযান পরিদর্শক মেহেদী হাসানের সঙ্গে দালালদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। দুদক সতর্ক করার পরও এখনো শরীয়তপুর বিআরটিএতে কমেনি দালালের দৌরাত্ম্য মোটরযান পরিদর্শক মেহেদী হাসানে নেতুত্বেই হচ্ছে সব অপকর্ম

বিষয়টি নিয়ে বিআরটিএ শরীয়তপুরের সহকারী পরিচালক  মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ এর ফোনে একাধিক বার ফোন করা হলেও তার সাথে যোগাযোগ করা যায়নি

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) শরীয়তপুরের সভাপতি রাশিদুল হাসান মাসুম ঢাকা পোস্টকে বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ, রাজনৈতিক কর্মীসহ সকলেরই সোচ্চার হওয়া প্রয়োজন। শরীয়তপুরে বিআরটিএ অফিসে দালালের মাধ্যমে ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি নতুন কিছু নয়। ঘুষ লেনদেনের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে দুদক ও সরকার আরও কঠোর হলে সাধারণ মানুষ ভালোভাবে সেবা পাবে।

বিষয়টি নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের মাদারীপুরের উপ-পরিচালক আতিকুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, এর আগে অভিযানের সময় শরীয়তপুরের মোটরযান পরিদর্শক মেহেদী হাসানের সঙ্গে দালালের সম্পৃক্ততা পেয়ে তাকে সতর্ক করা হয়েছিল। দালালের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে মেহেদী হাসানকে অন্যত্র বদলির সুপারিশ করেছিল দুদক। কিন্তু এরপরও যদি তার বিরুদ্ধে দালাল সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে আবারও অভিযান পরিচালনা করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি আপনার স্যোসাল নেটওয়ার্কে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *