ক্রাইম রিপোর্টার :
কুমিল্লার বরুড়ার ঝলম ইউনিয়নকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত মাদক কারবারের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছেন স্থানীয় যুবদল নেতা মোস্তফা কামাল। একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, তাঁর বিরুদ্ধে প্রমাণহীন ও ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালাতে চাইলে তিনি আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।
‘স্বাধীন বাংলা’ নামের একটি ফেসবুক পেজে প্রকাশিত পোস্টে ঝলম ইউনিয়নকে মাদকপ্রবণ এলাকা এবং মোস্তফা কামালসহ কয়েকজনকে মাদক কারবারে জড়িত বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে বলে জানা গেছে।
কঠোর হুঁশিয়ারি
মোস্তফা কামাল বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ প্রকাশ করা হয়েছে, সেগুলোর সঙ্গে আমি কোনোভাবেই জড়িত নই। এগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে তৈরি করা অপপ্রচার।”
তিনি সতর্ক করে বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যারা মিথ্যা অভিযোগ বানিয়ে ছড়াচ্ছেন, তাঁদের জন্য বলছি এই অপপ্রচার অব্যাহত রাখলে আমি আইনগত ব্যবস্থা নেব। কারও ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক বিরোধ থাকলে সেটি যথাযথ প্রমাণসহ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা যেতে পারে; কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাচাইহীন তথ্য ছড়িয়ে কারও সম্মানহানি করা মেনে নেওয়া হবে না।”
মোস্তফা কামালের ভাষ্য অনুযায়ী, ঝলম ইউনিয়নে মাদক কারবার পরিচালনা, সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে মাদক সরবরাহ এবং মাসিক অর্থ লেনদেনের যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তিনি এসব অভিযোগকে তাঁর রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা বলে অভিহিত করেন।
তিনি তাঁর বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগের নিরপেক্ষ যাচাই এবং প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে যাচাইহীন তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ করেন।
স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক মতপার্থক্য ও ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে। এ ক্ষেত্রে তথ্যের সত্যতা যাচাই, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণ এবং নিরপেক্ষভাবে ঘটনার অনুসন্ধান করা জরুরি।
সচেতন মহলের মতে, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি নিরপরাধ কাউকে যেন হয়রানি বা সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হতে না হয়, সেটিও নিশ্চিত করা প্রয়োজন।